Affiliate marketing কি ও এফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবো

এফিলিয়েট মার্কেটিং ওয়ার্ল্ডে যোগ দেওয়ার জন্য এটি একটি দুর্দান্ত সময়। এখন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর অনেক ব্যবসার সুযোগ রয়েছে। পরিচিত অনেক বন্ধুরাই বর্তমানে এফিলেন্ট মার্কেটিং করে অনলাইনে তাদের ক্যারিয়ার গড়েছে। কারণ ব্যবসার পাশাপাশি আরো বিভিন্ন কাজ করে অনলাইন থেকে উপার্জন করা যায়। শুধুমাত্র একটা ওয়েবসাইট থাকলে তা যথেষ্ট। যারা এ বিষয়টি বুঝেন না তারা ধৈর্য ধরে এই আর্টিকেলটি একটু পড়ুন। আশা করতেছি আপনিও একটি affiliate marketing ওয়েবসাইট করার মাধ্যমে এফিলিয়েট কমিশন ইনকাম করে লাভবান হতে পারবেন।

এই আর্টিকেলটির মধ্যে এফিলিয়েট মার্কেটিং কি, এফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে শুরু করা যায়, এবং Affiliate মার্কেটিং এর কিছু জনপ্রিয় ওয়েবসাইট সম্পর্কে আপনাদেরকে পরিচয় করিয়ে দিব। যেন আপনারা নিজেদের একটি ওয়েবসাইট করার মাধ্যমে affiliate business শুরু করতে পারেন।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে গেলে যে ওয়েবসাইটটির জন্য আপনাকে খরচ করতে হবে। সে ওয়েবসাইটটি কখনো আপনাকে হতাশ করবে না। যদি মনে করেন এফিলেন্ট মার্কেটিং ব্যবসাটি আপনার জন্য যথা উপযুক্ত নয়, তাহলেই আপনি আপনার ওয়েবসাইটটি অন্য কাউকে বিক্রি করে দিতে পারবেন। আমি গ্যারান্টি দিতে পারি যদি আপনি এফিলিয়েট মার্কেটিং এর মজাটা বুঝতে পারেন, তাহলে কখনো ওয়েবসাইট আপনি বিক্রি করে দিবেন না।

Youtube marketing

তবে আপনার লোকসান যেন না হয় তার জন্য আমি এটা গ্যারান্টি দিতে পারি। যদি আপনি টাকা খরচ করে ওয়েবসাইট তৈরি করে থাকেন, তাহলে আপনার কোন টাকা লোকসান হবে না। বরং সে ওয়েবসাইটটি বিক্রি করেও আপনি লাভবান হতে পারবেন।

এই ব্লগ ওয়েবসাইটটি শুধুমাত্র আমাদের পাঠকদেরকে সাহায্য করার জন্যই তৈরি করিয়াছি এবং বিভিন্ন সার্ভিস প্রমোশন করার মাধ্যমে আমরা এখান থেকে অর্থ উপার্জন করে থাকি।

এফিলিয়েট কমিশন ইনকাম
এফিলিয়েট কমিশন ইনকাম

সুতরাং আপনারা একটু ধৈর্য সহকারে আর্টিকেল পড়বেন। এবং কিভাবে আপনারা মার্কেটিং শুরু করতে পারেন, সে বিষয়ে যথেষ্ট জানার চেষ্টা করবেন। যদি কোন কিছু না বুঝে থাকেন, তাহলে আমাদেরকে কমেন্ট করে প্রশ্ন করবেন।

আমরা চাই আমাদের ওয়েবসাইটের কোন পাঠক যেন কোন ধরনের প্রতারণার শিকার না হয়। অনলাইনে সঠিক উপায়ে যেন একটি বিজনেস শুরু করে অর্থ উপার্জন করতে পারেন। বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের মধ্যে ও অনেকগুলো আইটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে যারা ব্যবসা করার জন্য আপনাকে ওয়ান টাইম পদ্ধতি শেখানোর কথা বলে। যার মাধ্যমে আপনি দ্রুত অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।

কিন্তু আসলে যদি দ্রুত অর্থ উপার্জন করা সঠিক হতো, তাহলে সবাই কিন্তু দ্রুত উপার্জন করার জন্য প্রতিটি আইটি প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়ে জড়ো হয়ে যেত।

বিশ্বাস করুন, যদি আপনি সঠিক জ্ঞান এবং পরিশ্রম করতে না পারেন, তাহলে আপনি কখনোই কোন সেক্টরে সফলতা অর্জন করতে পারবেন না। শুধুমাত্র আমাদের এই আর্টিকেলটিতে দেওয়া গাইড অনুসরণ করলে আপনাদের প্রথম ইনকাম না আসা পর্যন্তই আপনাদেরকে সাপোর্ট দেব।

আমি গ্যারান্টি দিচ্ছি আপনারা যারা আমাদের পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করবেন, তাদেরকে ইনকাম কিভাবে করতে হয় তা শিখানোর পাশাপাশি ইনকাম করে দেখানো হবে। তবে এটি এমন না যে আমরা আমাদের ব্যবসা এগিয়ে নেওয়ার জন্য আপনাদেরকে এই পরামর্শ দিচ্ছি।

এটি শুধুমাত্র তাদের জন্য যারা আমাদের কাছ থেকে সার্ভিস নিবেন, তাদেরকেই আমরা হাতে কলমে সব টিপস এবং ট্রিক্স দিয়ে এগিয়ে নিয়ে যাব।

affiliate marketing কি

Affiliate marketing হল পণ্য এবং পরিষেবার প্রচারের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করার একটি উপায়, পাশাপাশি একটি নির্দিষ্ট কোম্পানিকেও প্রচার করে। affiliate marketing করার সবচেয়ে সাধারণ উপায় হল নিজের একটি ওয়েবসাইট করার মাধ্যমে; তবে, এফিলিয়েট মার্কেটিং করার আরও অনেক উপায় আছে।

আরও পড়ুন:   বিটকয়েন কি ও কেন Bitcoin কিভাবে কাজ করে

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এবং পিপিসির মধ্যে প্রধান পার্থক্য হল যে affiliate marketing এর সাথে আপনাকে বিজ্ঞাপনদাতা সরাসরি অর্থ প্রদান করেন না। বরং আপনি যে খুচরা বিক্রেতা বা কোম্পানীর প্রচার করছেন, তাদের থেকে বিকৃত পণ্যের উপরে আপনি কমিশন পেয়ে থাকেন।

Affiliate marketing হল পণ্য এবং পরিষেবার প্রচারের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করার একটি উপায়-min
Affiliate marketing হল পণ্য এবং পরিষেবার প্রচারের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করার একটি উপায়

নিজের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিভিন্ন কোম্পানি ও ব্যক্তির লোকদের পণ্য ও সার্ভিস সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য উল্লেখ করে অর্থ উপার্জন করেন। এবং যদি তারা আপনার লিঙ্কের মাধ্যমে এটি ক্রয় করেন, তাহলে আপনি সেই পণ্য বা পরিষেবার বিক্রয় থেকে একটি কমিশন পাবেন।

এফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবো?

affiliate marketing হল বিজ্ঞাপনের একটি মাধ্যম। যেখানে একটি ব্যবসার পণ্য ও সেবা বিজ্ঞাপনদাতার কাছে তাদের গ্রাহকদের পাঠানোর জন্য লোকেদের অর্থ প্রদান করে। এটা অনেকটা Amazon থেকে পণ্য ক্রয় করার জন্য উৎসাহী করার মতো, এখানে লাভের অনেক বেশি সম্ভাবনা রয়েছে।

কিভাবে এফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করবেন?

আপনি কি করছেন তা জানলে এফিলিয়েট মার্কেটিং খুব লাভজনক হতে পারে, কিন্তু এটা শুরু করতে কিছু সময় এবং প্রচেষ্টা লাগে। আপনাকে শুরু করতে সহায়তা করার জন্য এখানে বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে কিছু টিপস রয়েছে:

১. কাজ করার বিষয় নির্বাচন করুন

অন্য কিছু করার আগে সর্বপ্রথম আপনাকে কি বিষয় নিয়ে আপনি কাজ করবেন, সে বিষয়টি নির্ধারণ করতে হবে। যেমন: আমরা এই ওয়েবসাইটে মার্কেটিং, ব্যবসা, এবং অনলাইন ইনকাম বিষয়ে কাজ করে থাকি। অর্থাৎ আমি এই ওয়েবসাইট করার পূর্বে প্রথমে আমি কি কি বিষয় নিয়ে কাজ করবো সেটা নির্ধারণ করেছিলাম। এজন্য আমি আমার লক্ষ্যে পৌঁছাতে নিয়মিত কাজ করুন করে যাচ্ছি।

ঠিক একই রকম আপনাকে মার্কেটিং করার জন্য প্রথমে একটি বিষয় নির্ধারণ করতে হবে। যে বিষয়টি নিয়ে আপনি কাজ করে এফিলিয়েট বিজনেস করে অর্থ উপার্জন করবেন।

বিশ্বাস করুন এফিলিয়েট ব্যবসা ১০০% লাভজনক একটি ব্যবসা। যেখান থেকে আপনার এক পয়সাও কোন ধরনের লোকসান হবে না।

এখন আপনি কি কি বিষয় নিয়ে কাজ করতে পারেন?

অনলাইনে কি কি প্রোডাক্টের উপরে বেশি চাহিদা রয়েছে তার উপরেই একটি বিষয় আপনি নির্ধারণ করতে পারেন। যেমন- স্মার্ট ঘড়ি রিভিউ, অথবা স্মার্ট ফোন রিভিউ, অথবা বিভিন্ন অনলাইনে জনপ্রিয় এক্সেসরিজ রিভিউ করা, বা অনলাইনের বিভিন্ন সার্ভিস সম্পর্কিত একটা ব্লগ ওয়েবসাইট তৈরি করা। যেখানে আপনি বিভিন্ন টিউটোরিয়াল পাবলিশ করবেন। যার মাধ্যমে আপনি এফিলিয়েট কমিশন উপার্জন করার সুযোগ পাবেন।

২. একটি ওয়েবসাইট তৈরি করুন

একটি ভালো ওয়েবসাইট হচ্ছে এফিলিয়েট মার্কেটিং থেকে সফলতা পাওয়ার অন্যতম উপায়। আপনার কাছে যদি কোন প্রচারের মাধ্যম না থাকে, তাহলে আপনি কখনো affiliate marketing শুরু করতে পারবেন না।

affiliate marketing এ প্রচারের জন্য একটি ওয়েবসাইট খুবই গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক ভূমিকা পালন করে। তবে আরো বিভিন্ন পদ্ধতিতে affiliate marketing করা যায়। যেগুলো নিয়ে পরবর্তীতে আমরা আপনাদের সাথে আলোচনা করব।

আরও পড়ুন:   অনলাইন ইনকাম এপস ২০২৩ | ৫টি ভালো অ্যাপস দিয়ে কাজ করুন

এখন আমরা প্রফেশনাল যে পদ্ধতিতে নিজের একটি ওয়েবসাইট করার মাধ্যমে শুরু করা যায় সেটি আপনাদের সাথে শেয়ার করতে যাচ্ছি।

এফিলিয়েট ওয়েবসাইট তৈরি করুন
এফিলিয়েট ওয়েবসাইট তৈরি করুন

তবে ইতিমধ্যেই আমরা কিভাবে ওয়েবসাইট না করে এফিলিয়েট মার্কেটিং করে অর্থ উপার্জন করা যায়, এবং আমরা যে সরাসরি ইনকাম করেছি তার প্রমাণসহ আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে ভিডিও আপলোড করেছি। এখানে থেকে আপনি ভিডিও দেখতে পারেন, এবং কিভাবে কাজ করেছি সেই ভিডিওতে সবগুলো পদ্ধতি দেখানো হয়েছে। আপনারা ভিডিওগুলো দেখে দেখে শিখতে পারেন।

অনেকেই আছেন যারা ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা বিনিয়োগ করে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করার সামর্থ্য রাখেন না। তাদের জন্য আমাদের ভিডিওগুলো অনেক সাহায্য করবে কোন ওয়েবসাইট ছাড়া affiliate মার্কেটিং থেকে অর্থ উপার্জন করার জন্য।

মোবাইল দিয়ে এফিলিয়েট মার্কেটিং

যদি প্রাথমিকভাবে একটি ওয়েবসাইট ছাড়াই আপনি আমাদের ভিডিও দেখে এফিলিয়েট মার্কেটিং করে অর্থ উপার্জন করেন এবং সেই অর্থ দিয়েই আপনি পরবর্তীতে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে ফেলতে পারেন।

একটি ওয়েবসাইট থাকলে আপনার কাজের গতি অনেক বেশি বৃদ্ধি পাবে। এবং ওয়েবসাইট টি দেখলেই আপনার কাজ করার ইচ্ছা হবে। যেহেতু আপনি টাকা দিয়েই একটি ওয়েবসাইট করবেন, সেহেতু আপনার এই ওয়েবসাইটটিতে অবহেলা করার কোন প্রশ্নই ওঠে না।

কিভাবে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে হয়, এবিষয়ে আপনারা আমাদের ইউটিউবে ভিডিও দেখতে পারেন। অথবা সরাসরি আমাদের সাহায্য নিয়ে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারেন। পরবর্তীতে আমরা একটি ওয়েবসাইট তৈরির বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে আমাদের ওয়েবসাইটে পোস্ট করব। যেগুলো আপনারা অনুসরণ করার মাধ্যমে ওয়েবসাইট সম্পর্কে আরও তথ্য জানতে পারবেন।

আমাদের কাছ থেকে ব্লগ ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য সরাসরি আমাদের হোয়াটসঅ্যাপে অথবা আমাদের ফেসবুক পেজে মেসেজ করতে পারেন।

. কনটেন্ট তৈরি করা শুরু করুন

প্রথম ১০ থেকে ২০টি আর্টিকেল পাবলিশ করুন। প্রাথমিকভাবে যখন আপনার একটি নতুন ওয়েবসাইট তৈরি হয়ে যাবে, সে ওয়েবসাইটটিতে আপনাকে প্রথমে কন্টেন্ট পোস্ট করতে হবে। যেন আপনি এফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য আপনার ওয়েবসাইট টা কে প্রস্তুত করতে পারেন।

এর জন্য আপনি যে বিষয়টি নির্ধারণ করেছিলেন, সে বিষয়ের উপরে ১০ থেকে ২০ টির মতো আর্টিকেল আপনার ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে হবে।

যখন দেখবেন ওয়েবসাইটে আপনার পোস্ট করা আর্টিকেলগুলোতে পাঠক আসা শুরু করেছে। তখন আপনি আপনার পছন্দের যেকোনো একটি এফিলিয়েট নেটওয়ার্কের জয়েন হতে পারেন। তবে এফিলিয়েট নেটওয়ার্কের জয়েন হওয়ার জন্য আপনার নির্ধারিত বিষয়টির উপরে ডিপেন্ড করবে।

যেমন: আপনি যদি স্মার্ট ঘড়ি, অথবা মোবাইল ফোন, অথবা অন্যান্য এক্সেসরিজ নিয়ে কাজ করার জন্য নির্ধারণ করেন, তাহলে অ্যামাজন, আলিবাবা, এই ওয়েবসাইটগুলোর সাথে affiliate marketing করা আপনার জন্য ভালো হবে।

বর্তমানে বাংলাদেশের মধ্যে বিডিশপ এবং দারাজ এই ওয়েবসাইট গুলো থেকেও affiliation সুবিধা উপভোগ করা যায়। তবে আমি পরামর্শ দিব ভালো একটি বিজনেস দাঁড় করার জন্য আপনাকে আন্তর্জাতিক মার্কেটগুলোকে ফোকাস করতে হবে।

বাংলাদেশি অ্যাফিলিয়েট পার্টনার থেকে আপনি খুব ভালো অর্থ উপার্জন করার সুযোগ পাবেন না। তবে যদি আপনি আন্তর্জাতিক কোম্পানির সাথে affiliate marketing করেন, তাহলে আপনার উপার্জিত অংশটি বাংলাদেশে অনেক বড় একটি এমাউন্ট হয়ে ফিরে আসবে।

তাই চেষ্টা করবেন বাংলাদেশী কোন কোম্পানির সাথে এফিলিয়েট মার্কেটিং না করে বিদেশি বিভিন্ন কোম্পানির হয়ে এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে।

আর্টিকেল পাবলিশ করা শেষ হয়ে গেলে আপনাকে পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে হবে। এবং এটি হচ্ছে আপনার জন্য আনন্দের বিষয়। একটি অ্যাফিলিয়েট ওয়েবসাইট তৈরি করার ক্ষেত্রে কন্টেন রাইটিং হচ্ছে সবচেয়ে কঠিন একটা বিষয়।

আরও পড়ুন:   নগদ মোবাইল ব্যাংকিং সঞ্চয় হার ও মুনাফা | Nagad Mobile Banking

যারা রাইটিং জানেন তাদের জন্য এটি পানির মত সহজ। আর্টিকেল রাইটিং নিয়ে আমরা পরে কিছু রাইটিং টিপস শেয়ার করব, যেগুলো আপনারা অনুসরণ করলে খুব সহজেই বিভিন্ন স্টাইলের কন্টেন্ট তৈরি করতে পারবেন।

আর্টিকেল রাইটিং খুব সহজ একটি পদ্ধতি যদিও এটাকে অনেকে কঠিন মনে করে থাকেন। যদি এটি অনেক কঠিন একটা বিষয় হতো তাহলে আপনি কখনো ডেইলি যেই নিউজ পেপার গুলো ছাপানো হয়, সে নিউজ পেপার গুলো দেখতে পেতেন না।

যেহেতু রাইটিং খুবই সহজ একটি বিষয়। এইজন্য আপনি নিয়মিত ৮ থেকে ১০ পাতার নিউজ পেপার গুলো ছাপানোর প্রিন্ট কপি পেয়ে থাকেন।

এখন নিজেকে নিজে প্রশ্ন করেন যদি তারা প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ পাতার নিউজ পেপার প্রিন্ট করতে পারে, তাহলে আপনি কেন প্রতিদিন ৫০০ থেকে ১০০০ শব্দ লিখতে পারবেন না।

এটি করা অবশ্যই সহজ একটি বিষয়। যদি আপনারা আমাদের গাইডলাইন অনুসরণ করেন, তাহলে affiliate marketing থেকে আপনারা অবশ্যই সফল হতে পারবেন। আমি গ্যারান্টি দিয়ে বারবার আপনাদেরকে বুঝাচ্ছি।

৩. মার্কেটপ্লেস এ জয়েন করুন

এবার সময় এসেছে একটি মার্কেটপ্লেস এ জয়েন করার। একটু আগেই বলেছি এটাই হচ্ছে সবচেয়ে মজার বিষয়। যদি আপনি আপনার পছন্দের মার্কেটপ্লেস ইতিমধ্যেই নির্বাচন করে থাকেন, তাহলে ভালো। তবে যদি আপনার মার্কেটপ্লেসটি এখনো নির্বাচন না করে থাকেন, তাহলে আপনি আপনার নির্ধারিত বিষয়ের উপরে মানানসই একটি মার্কেটপ্লেস এখন নির্বাচন করতে পারেন।

এফিলিয়েট মার্কেটপ্লেস এ জয়েন করুন
এফিলিয়েট মার্কেটপ্লেস এ জয়েন করুন

আপনি চাইলে একাধিক কোম্পানির হয়ে এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারবেন। এতে কোন সমস্যা হবে না।

নিচে কিছু ওয়েবসাইট আমরা সাজেস্ট করব। যেগুলোতে আপনারা জয়েন করে আপনার পছন্দের মার্কেটপ্লেস এর লিংকগুলো আপনার ওয়েবসাইটে প্রমোট করার মাধ্যমে এফিলেট কমিশন উপার্জন করতে পারবেন।

৫টি ভালো এফিলিয়েট মার্কেটিং সাইট:

1. আমাজন
2. ই-বে
3. ফিলিপকার্ড
4. আলি এক্সপ্রেস
5. আলিবাবা।

সম্মানিত পাঠক, আমাদের এই আর্টিকেলটিতে আমরা এফিলিয়েট মার্কেটিং সম্পর্কিত উৎসাহী করা এবং এটি যে একটি শতভাগ লাভজনক অনলাইন বিজনেস সে সম্পর্কে আপনাদের সাথে আলোচনা করেছি। যদি আপনারা অ্যাফিয়েন্ট মার্কেটিং সম্পর্কে আরো তথ্য জানতে চান, তাহলে আপনারা আমাদের সাথে আপনাদের মতামত শেয়ার করুন এবং কমেন্টে কি কি বিষয় সম্পর্কে আপনারা জানতে চান, তা লিখে প্রশ্ন করুন।

affiliate Commission

যারা ইতিমধ্যে affiliate marketing সম্পর্কে বুঝেন এবং চাচ্ছেন একটি ওয়েবসাইট করে আপনার অনলাইনে Affiliate marketing ব্যবসাটা শুরু করার জন্য। তারা আমাদের সাথে যোগাযোগ করে ওয়েবসাইট করার সুযোগ রয়েছে। তবে আপনি চাইলে আপনার কাছের যেকোনো পরিচিত developer এর কাছ থেকেই একটি ওয়েবসাইট করিয়ে নিতে পারেন।

আমাদের কাছ থেকে যারা ওয়েবসাইট করবেন তাদেরকে অবশ্যই আমরা প্রাথমিক ইনকাম না আসা পর্যন্ত সবকিছু হাতে-কলমেই সাপোর্ট দেব। যেন আপনারা বিষয়গুলো সহজে বুঝতে পারেন। আজকের আর্টিকেলটি আমরা এখানেই শেষ করতেছি।

আশা করি আপনারা অ্যাফিলেট মার্কেটিং কি, এবং এফিলেন্ট মার্কেটিং কিভাবে শুরু করা যায়, এফিলেন্ট মার্কেটিং এর বিভিন্ন ওয়েবসাইট সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। ধন্যবাদ সবাইকে।

“Affiliate marketing কি ও এফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবো”-এ 3-টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন