ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো? Freelancing ক্যারিয়ার ও আয় করার উপায়

ফ্রিল্যান্সিংয়ের কাজ বর্তমান সময়ে খুবই চাহিদা যুক্ত একটি কাজ। এক সময় মানুষকে ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো? এবং ফ্রিল্যান্সিং কি? এবিষয়টি বোঝানোর জন্য অনেক সময়ের প্রয়োজন হতো। কিন্তু বর্তমান সময়ে মানুষ ফ্রিল্যান্সিং কি সেটা জানার পাশাপাশি সরাসরি বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে কাজ করেই তার নিজস্ব ইনকাম

Advertisement
Google News Ad Google News Ad
টা করে নিচ্ছে

এবং তার দেশের জিডিপি ইনকাম বৃদ্ধি করে যাচ্ছে। বাংলাদেশ এখন Freelancing থেকে ইনকাম করার বিষয় অনেক সচেতন। এবং বাংলাদেশ সরকারও Freelancing থেকে ইনকাম করার জন্য সকল যুবক যুবতীদের বিভিন্ন ফ্রি ট্রেনিং উৎসাহিত করে যাচ্ছে। 

যারা ফ্রিল্যান্সিং করে অনলাইন থেকে আয় করতে চাচ্ছেন, তাদের জন্য আমরা এই লেখাতে 

  • ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার কিভাবে করতে হবে? এবং 
  • ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো
  • কিভাবে কাজ করতে হবে? 
  • Freelancing থেকে আপনি কিভাবে আয় করবেন?  
  • ফ্রিল্যান্সিং আসলে কি? এবং 

এবং ফ্রিল্যান্সিংয়ের কাজ করার বিভিন্ন উপায় আপনাদের সাথে এই আর্টিকেলটিতে শেয়ার করে যাব। যদি মনোযোগ দিয়ে এই লিখাটি আপনি সম্পূর্ণ করতে পারেন, তাহলে অবশ্যই আপনি এখান থেকে উপকৃত হতে পারবেন। এবং Freelancing বিষয়ে উপকারী বিভিন্ন তথ্য আপনি এখান থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন।

যদি ইতিমধ্যে আপনি ফ্রিল্যান্সিংয়ের কাজ শুরু করে থাকেন, তাহলে আপনি এই লেখাটা মনোযোগ দিয়ে পড়বেন। আর যারা নতুন ফ্রিল্যান্সিংয়ের কাজ শুরু করতে চাচ্ছেন। তারা অবশ্যই এই বিষয়টি অবশ্যই অবশ্যই সম্পূর্ণ করার চেষ্টা করবেন।

এক নজরে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সমূহ

ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো? 

অনলাইনে প্রকাশিত বিভিন্ন কন্টেন্ট ও রিসোর্স থেকে আপনি খুব সহজে ফ্রিল্যান্সিং শিখতে পারবেন। একসময় ফ্রিল্যান্সিং শেখার জন্য বিভিন্ন জায়গায় শিক্ষকের সন্ধান করতে হতো। কিন্তু বর্তমান সময়ে আপনি ইউটিউবে ভিডিও দেখে এবং গুগলে বিভিন্ন ব্লগ আর্টিকেল পড়ে Freelancing সম্পর্কে জানতে পারবেন। ফলে ফ্রীলান্সিং খুব সহজেই আয়ত্ত্ব করতে পারবেন।

খুব সহজে ফ্রিল্যান্সিং শিখুন
খুব সহজে ফ্রিল্যান্সিং শিখুন

একজন নতুন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে যদি আপনি ফ্রিল্যান্সিং শিখতে চান, তাহলে কোন একটি আইটি প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাথমিকভাবে একটি বেসিক কোর্স সম্পন্ন করার পরামর্শ থাকবে। বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের মধ্যে অনেকগুলো আইটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। যারা আপনাকে ফ্রিল্যান্সিংয়ের এ টু জেড বিষয় শিক্ষা প্রদান করে। 

বাংলাদেশের মধ্যে ফ্রিল্যান্সিং ট্রেনিং প্রদান করে এরকম কয়েকটি আইটি প্রতিষ্ঠান নাম: 

এই সকল প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে আপনি অনলাইনে কোর্স করে ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ে ট্রেনিং গ্রহন করতে পারবেন। অনলাইন কোর্সগুলোতে যদি কোন কিছু আপনি বুঝতে না পারেন, তাহলে সরাসরি কোর্সের ট্রেইনারের সাথে ভিডিও কলিং এর মাধ্যমে আপনার সমস্যাগুলো শেয়ার করে। সে সমস্যার সমাধান করতে পারবেন। যেন আপনাদের কাজ করতে সহজ হয়। এজন্য তারা এখানে বিভিন্ন বিষয়ে অনলাইন কাজের প্রশিক্ষণ প্রদান করেন। 

এরকম কয়েকটি আইটি প্রতিষ্ঠান ওয়েবসাইটের লিংক দিয়ে দিচ্ছি। 

  • টেন মিনিট স্কুল
  • ইশিখন ডটকম ডট বিডি
  • ঘুড়ি লার্নিং 
  • ইনস্ট্রাক্টরি 

ইংরেজি ভাষায় ফ্রিল্যান্সিং কোর্স

আপনি যদি ভাল ইংরেজি বোঝেন, তাহলে আপনি ইংরেজি ভাষায় কিছু স্বনামধন্য কোর্স করতে পারেন। সাধারণত বাংলাদেশে আইটি সেন্টার গুলোতে যদি আপনি কোর্স করে থাকেন। এই কোর্সের সার্টিফিকেট গুলো বিশ্ববাজারে দেখানো যাবে না। কারণ বাংলাদেশী আইটি প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাহিরের জনগণ চিনেন না।

ফ্রিল্যান্সিং কোর্স

এজন্য আপনি যদি বিশ্ববাজারে আপনার দক্ষতা এবং কোর্সের সার্টিফিকেট প্রদর্শন করতে চান, তাহলে কয়েকটি সুনামধন্য আইটি প্রতিষ্ঠান থেকে কোর্স করতে পারেন।

  • কোর্সেরা
  • ইউডেমি 

ফ্রিল্যান্সিং কি? বা ফ্রিল্যান্সিং কাকে বলে?

ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে এমন একটি স্বাধীন পেশা। যেটি আপনি বিশ্বের যেকোনো এক প্রান্তে বসে সারা বিশ্বের বিভিন্ন কোম্পানির হয়ে কাজ করতে পারবেন। যদি আপনি একটি স্বাধীন ও মুক্ত পেশা নির্বাচন করতে চান, তাহলে Freelancing হচ্ছে আপনার জন্য সেরা একটি অনলাইন থেকে ইনকামের উপায়। 

বন্ধন ব্যাংক লোন সিস্টেম ও বন্ধন ব্যাংক ঋণ সুবিধা এবং নিয়ম

নিজেই নিজের বস হিসেবে কাজ করার জন্য যারা আগ্রহী। তাদের জন্য ফ্রিল্যান্সিং উপযুক্ত একটি পেশা। আপনি যে জায়গায় অবস্থান করেন না কেন, খুব সহজেই যে কোন কোম্পানির হয়ে আপনি অনলাইনে ঘরে বসে কাজ সম্পন্ন করে অনলাইন থেকে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। 

সহজ কথায় যদি বলি, তাহলে ফ্রীলান্সিং হচ্ছে এমন একটি কাজ। যেটি অনলাইনে ঘরে বসে করা যায়। যে কাজটির জন্য কোন নির্দিষ্ট বাধ্যবাধকতা নাই। এবং স্বাধীন হিসেবে যে কাজটি করা যায় তাকে ফ্রিল্যান্সিং বলা হয়। 

ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে এমন একটি স্বাধীন পেশা।
ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে এমন একটি স্বাধীন পেশা।

ফ্রিল্যান্সিং হল যখন আপনি কোন কোম্পানির জন্য কাজ না করে নিজের জন্য কাজ করতে চান। সাধারণত এর অর্থ হল আপনার নিজের প্রজেক্ট এবং ক্লায়েন্ট বেছে নেওয়া, বাড়ি থেকে বা যেখানে খুশি কাজ করা। এবং নিজের কাজের সময় বেছে নেওয়ার স্বাধীনতা থাকা।

আরও পড়ুন:   DV lottery 2024 registration start date: বিস্তারিত তথ্য

Freelancing এর অনেক সুবিধা রয়েছে। যা এটিকে এমন ব্যক্তিদের জন্য একটি আকর্ষণীয় ক্যারিয়ার পছন্দ করে। যারা স্বাধীনতা এবং নমনীয়তা খুঁজছেন।

ফ্রিল্যান্সিং এ কি কি কাজ করা যায়? Freelancing এর কাজ সমূহ:

ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ সমূহ নিয়ে অনেকে আমাদের কাছে জানতে চাই। আমরা আপনাদেরকে এই প্রশ্নটির উত্তর দেওয়ার জন্য আপনাদেরকে অনুরোধ করবো! Freelancing এ কি কি ধরনের কাজ করা যায়? এই বিষয়ে একদমই কোনো প্রশ্ন করার চেষ্টা করবেন না।

কারণ এক কথায় ফ্রিল্যান্সিং এর মধ্যে করা যায় না এমন কোন কাজ বাকি নেই। অর্থাৎ আপনি কোন বিষয়ে নিজেকে দক্ষ মনে করে থাকেন। সে বিষয়ে আপনি Freelancing করতে পারবেন। যদি আপনি ভালো লেখালিখি করতে জানেন, তাহলে একজন কনটেন্ট রাইটার হিসেবে ফ্রিল্যান্সিং করতে পারেন। 

ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ সমূহ
Freelancing এর কাজ সমূহ

যদি আপনি ওয়েবসাইট তৈরি করতে জানেন, তাহলে একজন ওয়েব সাইট ডেভলপার হিসেবে কাজ করতে পারেন। আর যদি আপনি অ্যাপ ডিজাইন করতে পারেন, তাহলে একজন অ্যাপ ডেভেলপার হিসেবে কাজ করতে পারেন।

আপনি যদি বিভিন্ন বিষয়ে মোটিভেশনাল কথাবার্তা বলতে পারেন, তাহলে আপনি একজন মোটিভেশনাল স্পিকার হিসেবে কাজ করতে পারেন। হয়তো যেকোনো একটি নতুন কাজকে কিভাবে সম্পন্ন করতে হয়? সে বিষয়ে সহজে বুঝে উঠতে পারেন, তাহলে আপনি একজন পরামর্শক হিসেবে কাজ করতে পারেন।

ছাড়াও আপনি একজন

  • কপি রাইটার হিসেবে কাজ করতে পারেন।
  • ভিডিও এডিটর হিসেবে কাজ করতে পারেন।
  • ফটোগ্রাফার হিসেবে কাজ করতে পারেন।
  • ইনস্টাগ্রাম ইমেজ এডিটর হিসেবে কাজ করতে পারেন।
  • সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং হিসেবে কাজ করতে পারেন।
  • সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজার হিসেবে কাজ করতে পারেন।

এক কথায় আপনার প্রশ্নের উত্তর হিসেবে ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য নির্দিষ্ট কোন সীমাবদ্ধতা নেই। আপনি যে কাজটি ভালো পারবেন, সে কাজটি নিয়ে Freelancing করে অনলাইন থেকে ইনকাম করতে পারবেন। ফ্রিল্যান্সিং করে ইনকাম করতেছে বর্তমানে এরকম বিশ্বের মধ্যে হাজার হাজার ফ্রিল্যান্সার রয়েছে। তাই আপনিও শুরু করতে পারেন। Freelancing থেকে সফলতা পাওয়ার জন্য প্রথমে আপনাকে শুরু করতে হবে। এই প্রফেশনে আসার আগে ভয় জিনিসটা তাকে দূর করতে হবে। 

ঘরে বসে অনলাইনে আয় করার ৫টি উপায়

যদি আপনি কাজ করতে ভয় পান, তাহলে ফ্রিল্যান্সিং আপনার জন্য কাজে দিবে না। সুতরাং আপনি যদি যে কোনো একটি বিষয়ে কাজ করতে আগ্রহী হয়ে থাকেন, তাহলে Freelancing এ কি কি কাজ করা যায়? বা কি কি ধরনের কাজ আপনি করতে পারেন? সে বিষয়ে প্রশ্ন না করে সরাসরি আপনি কাজে নেমে পড়ুন। তাহলেই ফ্রিল্যান্সিং থেকে আপনি ভালো সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন। 

ফ্রিল্যান্সিং কাজ করার জন্য কিসের প্রয়োজন?

যে কোন কাজ করার জন্য কিছু প্রয়োজনীয় জিনিসের প্রয়োজন হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য আপনাকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ জিনিস সংগ্রহ করতে হবে। যেগুলো ব্যবহার করে আপনি Freelancing করতে পারবেন। প্রাথমিকভাবে ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য আপনার অবশ্যই ফ্রিল্যান্সিং এর দক্ষতা অর্জন করতে হবে। 

দক্ষতা অর্জন করার জন্য ইতিমধ্যে কিভাবে আপনি ফ্রিল্যান্সিং শিখবেন? সে বিষয়ে আমরা আলোচনা করেছি। যদি আপনি শিখা ইতিমধ্যে শুরু করে থাকেন, তাহলে অবশ্যই Freelancing কিভাবে করতে হবে? সে বিষয়টি আপনি জেনে গেছেন। 

ফ্রিল্যান্সিং এর দক্ষতা অর্জন
Freelancing এর দক্ষতা অর্জন

আপনি যদি মনে করে থাকেন এখন আপনি ফ্রীলান্সিং সম্পূর্ণ শিখতে সক্ষম হয়েছেন। এখন ফ্রিল্যান্সিং কাজ করার জন্য কি কি বিষয়ে আপনার প্রয়োজন হবে? সে বিষয়ে অবশ্যই আপনার জানা প্রয়োজন। Freelancing কাজ করার জন্য বিভিন্ন টুলস ও ডিভাইসের প্রয়োজন হয়ে থাকে। তবে শখের বশে শুধুমাত্র অনলাইনে কাজ করার টুলস ডিভাইস ক্রয় করলে হবেনা। সেই সাথে অবশ্যই আপনার কাজ করার আগ্রহ এবং নতুন বিষয়ে শিখার প্রবণতা থাকতে হবে। 

ফ্রিল্যান্সিং কাজ করতে যে সকল বিষয় প্রয়োজন হবে:

  • কম্পিউটার অথবা ল্যাপটপ অথবা একটি স্মার্টফোন 
  • দ্রুতগতির ইন্টারনেট সার্ভিস
  • যে কোন একটি বিষয়ে দক্ষতা অর্জন
  • কাজ করার জন্য পর্যাপ্ত সময়
  • ইংরেজিতে বেসিক দক্ষতা 
  • উপার্জিত টাকা সংগ্রহ করার জন্য পেপাল, পেওনিয়ার, অথবা ব্যাংক হিসাব।

উপরোক্ত জিনিসগুলো ছাড়াও আপনার কাজের ক্যাটাগরি অনুযায়ী আপনাকে বিভিন্ন প্রয়োজনীয় টুলস যন্ত্রপাতি ক্রয় করতে হতে পারে। কি কি ধরনের আরও কিছু যন্ত্রপাতি ক্রয় করতে হবে? সে বিষয়টি নির্ভর করে আপনি কোন বিষয়ের উপর Freelancing শুরু করবেন সেটার উপরে। তবে মনে রাখবেন, আপনি ফ্রীলান্সিং সেক্টরে যত বেশি ইনভেস্ট করবেন, তত বেশি আপনার দক্ষতা বাড়তে থাকবে। এবং এখান থেকে ভালো ইনকাম করতে পারবেন। 

জন্ম নিবন্ধন দিয়ে বিকাশ একাউন্ট খোলার নিয়ম

ফ্রিল্যান্সিং এমন একটি পেশা। যেখানে কোন রকম টাকা বিনিয়োগ না করে আপনার কাজ শুরু করতে পারবেন। সাধারণত আমাদের সবার কাছে একটি স্মার্টফোন, কম্পিউটার, অথবা ল্যাপটপ থাকে। ইন্টারনেট তো সবার নিয়মিত ব্যবহারের একটি উপাদান হিসেবে প্রচলন হয়ে গেছে। তাই আপনার কাছে যদি এই দুইটি বিষয় থাকে। এবং আপনি যদি কোন একটা বিষয় নিজেকে এক্সপার্ট মনে করে থাকেন। তাহলে সেই বিষয়টি ব্যবহার করে ফ্রীলান্সিং আজ থেকে শুরু করতে পারেন।

আরও পড়ুন:   ফ্রিল্যান্সিং কেন করব? যুক্তি সহ বুঝে নিন

ফ্রিল্যান্সিং কোন কাজের চাহিদা বেশি?

আপনি যদি কাজ জানেন, তাহলে চাহিদার কোনো কমতি নেই। আপনি যে কাজে নিজেকে দক্ষতা আছে মনে করেন। সে কাজের চাহিদা  ফ্রিল্যান্সিংয়ে রয়েছে। এককথায় ফ্রিল্যান্সিংয়ের সব ধরনের চাহিদা রয়েছে। তবে কিছু কিছু কাজ রয়েছে যে কাজ গুলোর চাহিদা বায়ারদের কাছে বেশি থাকে। 

তাই আপনি যদি এখনও ফ্রিল্যান্সিং শেখা শুরু না করে থাকেন, তাহলে যে কাজ গুলোর চাহিদা বেশি রয়েছে। এরকম কয়েকটি কাজ সম্পর্কে আপনার জেনে নেওয়া উচিত! তবে মনে রাখবেন, যে কাজগুলোর প্রতিযোগিতা কম রয়েছে। এরকম বিষয়ে কাজ শিখে Freelancing শুরু করলে দ্রুত সফলতা পাওয়া যায়। বর্তমানে যে কাজগুলো চাহিদা বেশি সে কাজগুলোর প্রতিযোগিতাও অনেক বেশি। 

কোন কাজের চাহিদা বেশি
কোন কাজের চাহিদা বেশি

যদি আপনি ইতিমধ্যে ডিজিটাল মার্কেটিং সম্পর্কে শুনে থাকেন। এবং ডিজিটাল মার্কেটিং বিষয়ে বেসিক ধারণা আপনার থাকে। তাহলে আপনি ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে কাজ শুরু করতে পারেন। ডিজিটাল মার্কেটিং এর পাশাপাশি ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপার, ও ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট ডিজাইন, ইউটিউব ভিডিও মার্কেটিং, ভিডিও এডিটিং, সোশ্যাল মিডিয়া সেলস এক্সপার্ট, এবং অ্যাপ ডেভলপারদের বর্তমান সময়ে বেশি চাহিদা রয়েছে। 

কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং একাউন্ট খুলব?

কষ্ট করে যদি ফ্রিল্যান্সিংয়ের কাজ শিখে ফেলতে পারেন, তাহলে কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং একাউন্ট খুলবেন সেই বিষয়ে জানাটা আপনার জন্য একদমই জটিল কোনো কাজ হবে না। বর্তমান সময়ে ইউটিউব এর মধ্যে হাজার হাজার টিউটোরিয়াল রয়েছে।

কিভাবে আপনি Freelancing একাউন্ট তৈরি করতে পারেন? সে বিষয়ের উপরে। যদি কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং একাউন্ট তৈরি করতে হয়? এই বিষয়ে আপনার জানা না থাকে, তাহলে আপনি গুগল অথবা ইউটুবে সার্চ করতে পারেন। অথবা সরাসরি আমাদের ফেসবুক পেজে ম্যাসেজ করতে পারেন। আমরা আপনাকে সাহায্য করব একটি ফ্রিল্যান্সিং একাউন্ট তৈরি করার জন্য। 

ব্যাংকে টাকা জমানোর নিয়ম

উপরে আমরা আপনাদেরকে পরামর্শ দিয়েছিলাম Freelancing শেখার শুরুতে কোন একটি আইটি প্রতিষ্ঠান থেকে একটি বেসিক কোর্স সম্পন্ন করার জন্য। প্রতিটি বেসিক কোর্স এর মধ্যেই প্রতিষ্ঠানগুলো আপনাদেরকে কিভাবে ফ্রিল্যান্সার অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হয়? এবং কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং একাউন্ট ভেরিফাই করতে হয়? সে বিষয়ে ট্রেনিং প্রদান করে থাকেন। 

Fiverr Tutorial

সুতরাং আপনি যদি কোন একটি আইটি প্রতিষ্ঠান থেকে কোর্স সম্পন্ন করে থাকেন, তাহলে কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং একাউন্ট তৈরি করতে হয়? এ বিষয়ে আপনাকে জানার জন্য কোন ইউটিউব অথবা অন্য কারো ধারপ্রান্ত হতে হবে না। আপনি নিজে নিজেই নিজের Freelancing একাউন্ট তৈরি করতে পারবেন। 

ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস

এখন আপনাদের ফ্রিলান্সিং এর বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস সম্পর্কে জানা উচিত! কেননা আপনারা ইতিমধ্যে ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে অনেক তথ্য জানতে পেরেছেন। যদি আপনি উক্ত তথ্যগুলো সম্পর্কে মনোযোগ দিয়ে জেনে থাকেন। তাহলে আপনি অবশ্যই ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য কোন মার্কেটপ্লেসের সন্ধান করে যাচ্ছেন। এক্ষেত্রে আপনি কোন মার্কেটপ্লেসে কি ধরনের কাজ পাওয়া যায়? সে বিষয়ে বিস্তারিত জানার জন্য মার্কেটপ্লেস গুলো ভিজিট করে দেখতে পারেন। 

ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস
ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস

জনপ্রিয় কিছু ফ্রীল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস নিয়ে আমরা এখানে একটি তালিকা প্রকাশ করব। যে তালিকা থেকে আপনি আপনার পছন্দের একটি মার্কেটপ্লেস নির্বাচন করতে পারেন। মনে রাখবেন, একেকটি কাজের জন্য এক একটা মার্কেটপ্লেস জনপ্রিয়তা পেয়েছে।

এই জন্য কোন মার্কেটপ্লেসে আপনি কাজ করলে আপনার সার্ভিস ভালো বিক্রি করা যাবে? এবং কোন মার্কেটপ্লেস থেকে আপনি বায়ার পাবেন? সে বিষয়টি আপনাকে রিসার্চ করে বের করতে হবে। তবে প্রাথমিকভাবে আপনি ফাইভার অথবা আপওয়ার্ক এর মাধ্যমে শুরু করতে পারেন। তবে আপওয়ার্কে যাওয়ার জন্য আপনার অবশ্যই অ্যাডভান্স লেভেলের দক্ষতা থাকা প্রয়োজন। 

জনপ্রিয় কিছু ফ্রীলান্স মারকেটপ্লেস এর তালিকা:

  1. ফাইভার 
  2. ফ্রিল্যান্সার  ডটকম 
  3. এসইও ক্লার্ক 
  4. ৯৯ ডিজাইন 
  5. আপওয়ার্ক 
  6. পিপল পার আওয়ার

ফ্রিল্যান্সিং কেন করব?

যদি আপনি একটি মুক্ত ও স্বাধীন পেশা নির্বাচন করতে চান। এবং নিজের কাজ নিজে সম্পন্ন করে অনলাইন থেকে অর্থ উপার্জন করতে চান। তাহলে আপনি ফ্রিল্যান্সিং করতে পারেন। অনেকে আমাদের কাছে ফ্রীলান্সিং কেন করব? এই বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করে থাকেন। তাদের জন্য আমরা এই লেখাতে অনেকগুলো সুযোগ-সুবিধা নিয়ে আলোচনা করেছি।

যদি আপনি আমাদের এই ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ে লেখা টি সম্পূর্ণ পড়ে থাকেন। তাহলে কেন ফ্রিল্যান্সিংকরবেন? সে বিষয়ে ইতিমধ্যে আপনার জানা হয়ে গেছে। সহজ কথায় অনলাইনে ঘরে বসে বিশ্বের যে কোন প্রান্ত থেকে কাজ করে নিজের ইচ্ছামত স্বাধীন একটি পেশা নির্বাচন করে অনলাইন থেকে অর্থ উপার্জন করার জন্য আপনি ফ্রিল্যান্সিংকরবেন। 

আরও পড়ুন:   ফ্রিল্যান্সিং কি

ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার

ক্যারিয়ার নির্বাচনের ক্ষেত্রে আমাদের অবশ্যই সবার মধ্যে একটি ভয় থাকে। কোন ক্যারিয়ার নির্বাচন করলে পরবর্তীতে আমরা ভালো সুযোগ সুবিধা উপভোগ করতে পারব? এটা নিয়ে চিন্তা থাকে। এক্ষেত্রে আপনি ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার নির্বাচন করতে চাইলে, কোনো রকম চিন্তাভাবনা না করেই। কোন কাজটি নিয়ে আপনি এগিয়ে যাবেন, সে বিষয়ে রিসার্চ করতে পারেন। 

কেননা ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে যুগোপযোগী একটি চাহিদা সম্পন্ন পেশা। তাই ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে ক্যারিয়ার গড়তে আপনার কোন রকম ভয় পাওয়ার সম্ভাবনা নেই। বর্তমানে এই পেশাটি খুবই জনপ্রিয়তা কাতারে রয়েছে। এবং ভবিষ্যতেও Freelancing ক্যারিয়ারের আপনার কোন ধরনের জটিলতা আসবেনা।

এখান থেকে আপনি খুব ভালোই এগিয়ে যেতে পারবেন। এবং ফ্রীলান্সিং প্রফেশন সবার জন্য উন্মুক্ত একটি পেশা। 

ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার
ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার

আপনার কাছে চাকরি না থাকলে, আপনি ফ্রিল্যান্সিংকরবেন এমনটা কিন্তু নয়। ব্যবসা ও চাকরির পাশাপাশি আপনি ঘরে বসে ফ্রিল্যান্সিং করে অনলাইন থেকে অর্থ উপার্জন করতে পারেন। অবসর সময়ে আপনি সোশ্যাল মিডিয়া ও ইউটিউব এর মধ্যে অতিরিক্ত সময় ব্যয় না করে। Freelancing সেক্টরে আপনার দক্ষতা ব্যবহার করে খুব ভালো মানের একটি অনলাইন ব্যবসা আপনি শুরু করতে পারেন যেকোনো মুহূর্তে। 

পরিশেষে আপনাকে বলব। আপনি যদি ফ্রিলেন্সিংকে ক্যারিয়ার হিসেবে নির্বাচন করতে চান, তাহলে কোনো রকম ভয় না পেয়ে এবং কোনো নেতিবাচক চিন্তা না করে। প্রথমে আপনি দক্ষতা অর্জনের ক্ষেত্রে মনোযোগী হন। পরে দক্ষতা ব্যবহার করে কিভাবে উপার্জন করা যায়? সে বিষয় নিয়ে চিন্তা ভাবনা করুন। 

মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং

মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করা যায় কিনা? এই প্রশ্নটিই বাংলাদেশের মধ্যে হাজার হাজার মানুষ করে থাকেন। এ প্রশ্নের উত্তরে আমি আপনাদের বলব। যদি আপনার ইচ্ছা শক্তি থাকে এবং কাজ করার আগ্রহ থাকে। তাহলে আপনি মোবাইল দিয়ে Freelancing করতে পারবেন।

Freelancing করার যতগুলো উপায়ে আমরা এখানে শেয়ার করেছি। তার মধ্যে অনেকগুলো এমন উপায় রয়েছে। যেগুলো আপনি মোবাইল দিয়ে করতে পারেন। মোবাইল দিয়ে ফ্রীলান্সিং করাটা এত জটিল কোনো কাজ নয়। 

তবে আপনাকে এমন একটি ক্যাটাগরি নির্বাচন করতে হবে। যে ক্যাটাগরির কাজগুলো আপনি মোবাইল দিয়ে সহজে সম্পন্ন করতে পারবেন। 

মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং
মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং

মোবাইল দিয়ে কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং করে অর্থ উপার্জন করতে হয়? এই বিষয়ের আমার ইউটিউব চ্যানেলে ইতিমধ্যে অনেকগুলো ভিডিও আপলোড করা হয়েছে। আপনি চাইলে আমার ইউটিউবে আমাকে অনুসরণ করতে পারেন। এবং কোনো বিষয়ে যদি আপনার জানা প্রয়োজন হয়, সেই বিষয়ে আমাকে জিজ্ঞেস করতে পারেন। নিচে আমার একটা ইউটিউব এর ভিডিও যুক্ত করে দিলাম। যে ভিডিওটি অনুসরণ করে আপনি আমাকে ইউটিউবে সহজে খুঁজে পাবেন। 

মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং

ফ্রিল্যান্সিং শিখুন অনলাইনে সম্পূর্ণ ফ্রী

উপরে আমরা ফ্রিল্যান্সিং শেখার জন্য বিভিন্ন পেইড কোর্স সম্পর্কে আপনাদের জানিয়েছি। তবে যদি আপনার টাকা দিয়ে কোর্স করার সামর্থ্য না থাকে, তাহলে আপনার জন্য এমন অনেকগুলো ফ্রী অনলাইন কোর্স রয়েছে। যেগুলোর মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই ফ্রিল্যান্সিং সাইটে অনলাইনে সম্পুর্ন ফ্রী তে কাজ করতে পারবেন।

বিশ্বের উন্নত মানের অনেকগুলো আইটি সেক্টর প্রতিবছর বিভিন্ন স্কলারশিপ প্রদান করে থাকেন ফ্রিল্যান্সারদের জন্য। এক্ষেত্রে নিত্যনতুন ফ্রিল্যান্সিং স্কলারশীপ সম্পর্কে আপডেট পাওয়ার জন্য আমাদের এই পেজটি নিয়মিত ভিজিট করে দেখবেন। 

টাকা সঞ্চয় করার কৌশল | কিভাবে টাকা সঞ্চয় করা যায়

এছাড়াও যদি আপনি সম্পূর্ণ ফ্রিতে ফ্রীলান্সিং কোর্স করতে চান, তাহলে আগে আমাদের ম্যাসেজ করতে পারেন ফেসবুক পেইজে। পেজে মেসেজ করে আপনি কোন বিষয়ে ফ্রিল্যান্সিং শিখতে চাচ্ছেন? সেই বিষয়ে Freelancing শেখার জন্য অনলাইন একটি ফ্রি কোর্স আমাদের কাছ থেকে চাইতে পারেন। আপনি যে বিষয়ে ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য আগ্রহী। সেই বিষয়ে যদি আমাদের কাছে কোন কোর্স থাকে। সেই কোর্সের সন্ধান আপনাকে দিয়ে সাহায্য করার চেষ্টা করব। 

সারমর্ম:

সম্মানিত পাঠক, এতক্ষণ পর্যন্ত আমরা ফ্রীল্যান্সিং নিয়ে যত সব বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি। এই সকল বিষয়গুলো যদি আপনারা আয়ত্ব করতে পারেন, তাহলে আপনারা ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে খুব ভালো এগিয়ে যেতে পারবেন। আমাদের শেয়ার করা বিষয় গুলোতে যদি কোনকিছু না বুঝে থাকেন, তাহলে আমাদেরকে প্রশ্ন করতে পারেন। আমরা সব সময় আপনাদের প্রশ্নগুলোর উত্তর দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকি। 

এছাড়াও আপনি আমাদেরকে ইউটিউব এবং সোশ্যাল মিডিয়াতে অনুসরণ করতে পারেন। যেন ফ্রিল্যান্সিং শেখার জন্য আপনার বিষয়টি আরও সহজ হয়ে যায়। এবং ফ্রিল্যান্সিং এর বিভিন্ন কোর্স সম্পূর্ণ ফ্রিতে সংগ্রহ করতে পারেন। ফ্রীলান্সিং সম্পর্কিত আমাদের লেখাটা এখানে সমাপ্ত করতেছি। তবে এই লিখাটি আমরা নিয়মিত আপডেট করতে থাকবো। যেন নিত্য প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো সম্পর্কে আপনাদের অবহিত করতে পারি।

Advertisement

ব্লগিং, এফিলিয়েট, রিসেলার ও ই-কমার্স ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য যোগাযোগ করুন। আমাদের এফিলিয়েট লিঙ্ক থেকে যেকোনো কোম্পানির কাছ থেকে ডোমেইন হোস্টিং ক্রয় করলে ফ্রি সাপোর্ট! বিস্তারিত জানতে WhatsApp এ মেসেজ করুন।

WhatsApp এ মেসেজ করুন

“ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো? Freelancing ক্যারিয়ার ও আয় করার উপায়”-এ 2-টি মন্তব্য

  1. অসাধারণ। অসাধারণ। খুবই তথ্য বহুল আলোচনা। নতুন যারা ফ্রিল্যান্সিং শিখতে চান তাদের জন্য খুবই ভালো একটা গাইডলাইন।

    জবাব

মন্তব্য করুন