নতুনদের জন্য ১০টি মোবাইল ভিডিওগ্রাফি টিপস

মোবাইল ফোন ব্যবহার করে ভিডিওগ্রাফি বর্তমানে অনেক বেশি বৃদ্ধি পাচ্ছে। চাহিদা বৃদ্ধি পেলেও সঠিক অভিজ্ঞতা ও টিপস না পাওয়ার কারণে অনেকের সঠিকভাবে মোবাইল ভিডিওগ্রাফি করতে পারছে না। যারা নতুন রয়েছেন তাদের জন্য আজকের এই লেখাতে ১০টি মোবাইল ভিডিওগ্রাফি টিপস শেয়ার করব যেন নতুনরা মোবাইল ফোন ব্যবহার করে মোবাইল ভিডিওগ্রাফি শিখতে পারেন।

Advertisement
Google News Ad Google News Ad

মোবাইল দিয়ে ১০ টি ভিডিওগ্রাফি টিপ

প্রিয় পাঠক আপনি যদি মোবাইল ফোন দিয়ে ভিডিওগ্রাফি করে থাকেন তাহলে এই ১০টি ভিডিওগ্রাফির টিপস আপনার জেনে রাখা উচিত হবে! এই টিপস গুলো যদি অনুসরণ করে আপনি ভিডিও ক্যাপচার করতে পারেন তাহলে একজন প্রফেশনাল মোবাইল ভিডিওগ্রাফার হিসেবে কাজ করতে পারবেন।

১. রাইট ক্যামেরা এঙ্গেল ব্যবহার করা 

কোন দিক থেকে ভিডিও ক্যাপচার করলে সঠিকভাবে ভিডিও কোয়ালিটি ঠিক হবে তা আমরা সকলেই বুঝে উঠতে পারি না। নিয়মিত বুঝে বুঝে যদি আমরা ভিডিও ক্যাপচার করার চেষ্টা করি এবং নোট করে রাখি কিভাবে কোন অ্যাঙ্গেল থেকে ভিডিও রেকর্ড করলে ভালো কোয়ালিটি পাওয়া যাচ্ছে সে বিষয়টি আমাদের লক্ষ্য রাখতে হবে। 

রাইট ক্যামেরা অ্যাঙ্গেল ব্যবহার জানাটা একজন নতুন ভিডিওগ্রাফারের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যদি আপনি রাইট ক্যামেরা এঙ্গেল ব্যবহার করতে না জানেন তাহলে আপনার ভিডিওর কোয়ালিটি ভালো হবে না। এজন্য নতুন মোবাইল ভিডিওগ্রাফায় করার জন্য নিয়মিত চর্চা করা গুরুত্বপূর্ণ।

সঠিক ক্যামেরা অ্যাঙ্গেল ব্যবহারের জন্য সময় এবং সূর্যের ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারেন। অর্থাৎ কোন সময়ের সূর্য কোন এঙ্গেলে থাকলে আপনার মোবাইল ফটোগ্রাফি কোয়ালিটি সম্পন্ন হচ্ছে সেটা আপনাকে বুঝে উঠতে হবে। তাহলে আপনি একজন উন্নত মানের মোবাইল ফটোগ্রাফি হিসেবে কাজ করতে পারবেন।

২. ক্যামেরা মুভমেন্ট সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ

কোন একটা সাইটের মধ্যে ক্যামেরা ধরে রাখলেই হবেনা সঠিকভাবে ক্যামেরার মোড মুভমেন্ট বুঝতে হবে। একজন ফটোগ্রাফার তার ক্যামেরার মুভমেন্ট সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করার মাধ্যমে কোয়ালিটি সম্পন্ন ভিডিও ক্যাপচার করতে পারেন। এই জন্য আপনি যদি একজন মোবাইল ভিডিওগ্রাফার হিসেবে কাজ করতে চান, তাহলে মোবাইলকে কোন অ্যাঙ্গেলে মুভমেন্ট করলে আপনার ক্যামেরা সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবেন সেটা নিয়ে আপনাকে পড়াশোনা করতে হবে।

ক্যামেরার মুভমেন্ট সঠিকভাবে করার জন্য নিজেকে সময় দিয়ে এগুলোতে স্কিল গড়ে তুলতে হবে। এ বিষয়ে চাইলে আপনি পূর্ব থেকে কোন একজন মেন্টরের সাথে ফটোগ্রাফির স্কিল ভাগাভাগি করতে পারেন।

আরও পড়ুন:   ফ্রিল্যান্সারদের ১০টি বৈশিষ্ট্য

মনে রাখবেন একজন মোবাইল ভিডিওগ্রাফার হওয়ার জন্য আপনাকে বিশ্ববিদ্যালয় বা ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনা করতে হবে না। শুধুমাত্র আপনার যদি ক্যামেরার মুভমেন্ট এবং কোয়ালিটি ভিডিও ধারণ করার দক্ষতা থাকে, তাহলে আপনি একজন প্রফেশনাল মোবাইল ভিডিওগ্রাফার হিসেবে কাজ করতে পারবেন।

৩. উন্নত ক্যামেরা ইনস্ট্রুমেন্টস ব্যবহার করা

বর্তমানে মোবাইল ভিডিওগ্রাফির জন্য অনেকগুলো উন্নত মানের ইন্সট্রুমেন্ট ব্যবহার করা যায়। আপনি যদি একজন প্রফেশনাল ভিডিওগ্রাফার হতে চান তাহলে এই ইন্সট্রুমেন্ট গুলোর ব্যবহার আপনাকে জানতে হবে। বিভিন্ন কোয়ালিটির বিভিন্ন কোম্পানির ট্রাইপড ব্যবহার করে আপনি মোবাইল দিয়ে কোয়ালিটি সম্পন্ন ভিডিও ক্যাপচার করতে পারবেন।

প্রাথমিকভাবে যারা নতুন ইউটিউবার হিসেবে মোবাইল ভিডিওগ্রাফি নিয়ে কাজ করতে চান তারা কিন্তু এই ধরনের উন্নত মানের একটা ক্যামেরা ইন্সট্রুমেন্ট ব্যবহার করতে পারেন। ক্যামেরা ইন্সট্রুমেন্ট গুলো ব্যবহার করে আপনি ভালো ক্যামেরা না হলেও কোয়ালিটি সম্পন্ন ভিডিও ধারণ করতে পারবেন।

কথায় আছে যদি আপনার দক্ষতা থাকে তাহলে দামি ক্যামেরার কোন প্রয়োজন নাই। কম দামে মোবাইল দিয়ে ও আপনি মানসম্মত ভিডিও ক্যাপচার করতে পারবেন।

৪. স্লো-মোশন রেকর্ডিং 

স্লো মোশন রেকর্ডিং সম্পর্কে হয়তো অনেকেই জানেন যদি না জেনে থাকেন তাহলে এই বিষয়ে পড়াশোনা করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যারা একজন ভিডিওগ্রাফার হিসেবে কাজ করে থাকেন তারা ভিডিওতে স্লো মোশন একটি ফিচার ব্যবহার করে থাকেন। 

আর আপনি যদি আপনার ভিডিওতে স্লো মোশন ফিচার ব্যবহার করতে চান, তাহলে আপনার ভিডিও ক্যাপচার করার সময় আপনাকে এমন কিছু টেকনিক অনুসরণ করতে হবে যেগুলো আপনাকে পরবর্তীতে আপনার অনেক বেশি সাহায্য করবে।

যারা অভিজ্ঞ ভিডিওগ্রাফার রয়েছে তারা কিন্তু ভিডিও রেকর্ড করার সময় স্লো মোশনের কাজটি সম্পন্ন করে ফেলেন। কিন্তু আপনি যদি স্লো মোশন বিষয়ে অভিজ্ঞ না হন, তাহলে আপনাকে পরবর্তীতে ভিডিও এডিট করার মাধ্যমে স্লোমোশনে কাজ করতে হবে। 

যদি আপনি কোন একটি ইভেন্ট পরিচালনার ক্ষেত্রে ভিডিও করে থাকেন, তাহলে অবশ্যই দ্রুত কাজ করতে হবে যেন তাদের ভিডিওগুলো ডেলিভারি করা যায়। আপনি যদি বিভিন্ন অ্যাপস এর মাধ্যমে স্লো মোশন নিয়ে কাজ করেন তাহলে সেটি বেটার ভাবে করা নাও যেতে পারে। এজন্য আপনি যদি ভিডিও ক্যাপচার করার সময় স্লো মোশন ফিচার ব্যবহার করতে জানেন, তাহলে পরবর্তীতে আপনার জন্য মোবাইল ভিডিওগ্রাফি আরো সহজ হয়ে যাবে।

৫. ল্যান্স ব্যবহার করা

সব মোবাইলের লেন্স কিন্তু একই রকম না লেন্স সঠিকভাবে ব্যবহার করতে জানাটা একটা আর্ট। একজন ভালো মানের ফটোগ্রাফার হওয়ার জন্য ভালো মানের লেন্স ক্যামেরা থাকতে হবে এটা কিন্তু খুবই বড় একটি ভুল ধারণা। 

আপনার অবশ্যই দক্ষতা থাকলেই কম লেন্সের ক্যামেরা ব্যবহার করে উন্নত মানের ভিডিওগ্রাফি আপনি করতে পারবেন। এক্ষেত্রে আপনি আপনার মোবাইল ফোনটির নিয়ন্ত্রণ সঠিকভাবে যদি করতে পারেন এবং অ্যাঙ্গেল এবং পজিশন যদি বুঝতে পারেন তাহলেই কম ক্যামেরা লেন্স ব্যবহার করে কোয়ালিটি ভিডিও ক্যাপচার করতে পারবেন।

আরও পড়ুন:   বাংলাদেশের ৫টি সেরা ডোমেইন হোস্টিং কোম্পানি

৬. মিউজিক ও সাউন্ড ইফেক্ট সঠিকভাবে ব্যবহার করা

যখন ইউটিউবের জন্য আপনি ভিডিও এডিট করবেন তখন অবশ্যই মিউজিক সাউন্ড এফেক্ট সঠিকভাবে ব্যবহার করতে হবে। আমি নিজেও ২০১৫ সাল থেকে ইউটিউবে কাজ করে আছি। আমার ইউটিউব এর অভিজ্ঞতা ভালোই রয়েছে যদি আপনি আমার অভিজ্ঞতাগুলোকে কাজে লাগাতে পারেন তাহলে আপনি ইউটিউবে সফলতা পেতে পারেন। 

ভিডিওতে মিউজিক ও সাউন্ড ইফেক্ট ব্যবহারের ক্ষেত্রে কোন ধরনের কফি এলিমেন্টস ব্যবহার করা যাবে না। অর্থাৎ অন্য কারো সাউন্ড ইফেক্ট ব্যবহার করবেন না। যদি কোন সফটওয়্যার এর সাহায্যে নিয়ে থাকেন এক্ষেত্রে অবশ্যই প্রিমিয়াম সফটওয়্যার গুলো ব্যবহার করবেন ফ্রি সফটওয়্যার গুলো অধিকাংশ সময় আপনার ভিডিও গুলোকে কপি সেকশনে নিয়ে যায়। যার ফলে আপনার ভিডিওর কোয়ালিটি কমে যায়।

এক্ষেত্রে কোয়ালিটি কমানোর বিষয়টি হচ্ছে আপনার ভিডিওতে কফি এলিমেন্ট চলে আসলে এগুলো ইউটিউব এর পলিসি লংঘন করে ফলে আপনি ইউটিউবে যাত্রাতেই বসে যাবেন। আমার জানামতে ৭০% এরও বেশি মোবাইল ভিডিওগ্রাফাররা ইউটিউব নিয়ে কাজ করে থাকেন এজন্য আমি ইউটিউবকে টার্গেট করে এ বিষয়গুলো আপনাদেরকে জানাচ্ছি।

৭. ক্যামেরা ফিচার ব্যবহার করা 

আপনি হয়তো জানেন না আপনার মোবাইল ফোনের ক্যামেরাতে অনেক ধরনের ফিচার রয়েছে। আপনার তো ব্যবহার করতে ইচ্ছা করলেই জানতে পারবেন যদি আপনি না জেনে থাকেন তাহলে আপনার মোবাইল ফোনের ক্যামেরার সেটিং বিভিন্নভাবে পরিবর্তন করে দেখুন তাহলে আপনি বুঝতে পারবেন। আপনার মোবাইল ফোনে যেই বেসিক ক্যামেরাটি রয়েছে সেই ক্যামেরা তে অনেক ধরনের ফিচার রয়েছে যেগুলো আপনি কখনোই ব্যবহার করেননি। যদি আপনি মোবাইল ফোনের ফিচারগুলোতে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারেন।

আপনি একজন প্রফেশনাল মোবাইল ভিডিওগ্রাফি হিসেবে ভালো করতে পারবেন। আমার জানা অনেক পরিচিত মোবাইল ভিডিওগ্রাফাররা তাদের মোবাইল ফোনের ফিচারগুলোকে ব্যবহার করে এডভান্স লেভেলের ভিডিওগ্রাফি করতে পারেন।

৮. কালার গ্রেডিং বুঝতে পারা

কালার গ্রেডিং বলতে আপনি কি বুঝেন? এ বিষয়ে অবশ্যই কমেন্ট করে আমাকে জানাবেন। আমি সহজ কথাই বলি আমরা ভিডিওতে বিভিন্ন ধরনের কালার ব্যবহার করি যেন আমাদের ভিডিও দেখতে আরো ইন্টারেস্টিং হয়। কিন্তু আপনি যদি কালার গ্রেটিং বিষয়টি বুঝতে না পারেন তাহলে অনেক ক্ষেত্রে রাতের দিকে ভিডিও গুলো আপনার ভিউয়াররা দেখতে পারবে না। কারণ চোখে যে কালারটা বেশি ক্ষতি করে সে কালার টা সবাই দেখতে চায়না। 

এজন্য ভিডিওতে কি ধরনের কালার সঠিকভাবে ব্যবহার করলে আপনার ভিউয়াররা ভিডিও দেখতে পছন্দ করে সে বিষয়টি আপনাকে নিশ্চিত করতে হবে। আর এ বিষয়গুলো নিশ্চিত করার জন্য আপনাকে অডিয়েন্সদের পরামর্শ গুলোকে মেনে চলতে হবে এবং অডিয়েন্সরা যেন আপনাকে কমেন্ট করে সে বিষয়ে তাদেরকে উৎসাহিত করতে হবে। পাশাপাশি আপনি কালার গ্রেডিং নিয়ে পড়াশোনা করতে পারেন কারণ অনেকগুলো কালার রাতের দিকে অসহ্য মনে হয়।

আরও পড়ুন:   টেকনো মোবাইল দাম ও টেকনো মোবাইলের বৈশিষ্ট্য

একজন মোবাইল ভিডিওগ্রাফার হিসেবে কালার গ্রেডিং নিয়ে পড়াশোনা করার জন্য অবশ্যই আপনাকে সময় দিতে হবে। পড়াশোনা যত বেশি করবেন তত বেশি কালার গ্রেডিং বিষয়ে আপনি জানতে পারবেন এবং একজন দক্ষ মোবাইল ভিডিওগ্রাফার হিসেবে এগিয়ে যেতে পারবেন।

৯. ক্যামেরা অ্যাপস ব্যবহার করতে পারেন 

বর্তমানে উন্নত অনেক মোবাইল অ্যাপস রয়েছে যেগুলো ব্যবহার করে আপনি ক্যামেরা আরো এডভান্স লেভেলে নিয়ে যেতে পারেন। আপনার মোবাইল ফোনে বর্তমানে যে ক্যামেরাটি রয়েছে সে ক্যামেরাটির ফিচার ব্যবহারের পাশাপাশি আপনি বিভিন্ন ক্যামেরা ব্যবহার করতে পারেন। বিভিন্ন ক্যামেরার মোবাইল অ্যাপসগুলোতে উন্নত মানের ফিচার ব্যবহার করা হয়। যেগুলোর মাধ্যমে আপনি আপনার চাহিদা অনুযায়ী আরো কোয়ালিটি সম্পন্ন ভিডিও ক্যাপচার করতে পারবেন।

একজন মোবাইল ভিডিওগ্রাফি হিসেবে আপনাকে একাধিক অ্যাপস ব্যবহার করে পরীক্ষা করতে হবে এক্ষেত্রে কোন অ্যাপ গুলো ব্যবহারের ক্ষেত্রে ভালো সেটি আপনাকে পরীক্ষা করে নিতে হবে। যে সকল অ্যাপ গুলো দিয়ে আপনি ভালো মানের মোবাইল ভিডিওগ্রাফি করতে পারবেন সে সকল অ্যাপগুলোকে আপনি সেফারেট করে একটি লিস্ট তৈরি করে রাখবেন। যেন আপনি পরবর্তীতে এই লিস্টের অ্যাপ গুলো বেশি ব্যবহার করতে পারেন।

১০. ক্রিয়েটিভ হয়ে উঠতে হবে

কোন কাজে যদি আপনি ক্রিয়েটিভ হয়ে উঠতে না পারেন তাহলে সেই কাজে ভালো করা আপনার দ্বারা কখনো সম্ভব হবে না। এজন্য যেকোনো কাজে নিজের ক্রিয়েটিভিটি কে কাজে লাগাতে হবে এবং এগিয়ে যাওয়ার জন্য যথেষ্ট সময় এবং ইচ্ছাশক্তির ব্যবহার করতে হবে।

পরিশ্রম ছাড়া কোন কাজে সফলতা আনা সম্ভব নয় এজন্য আপনি যদি একজন পরিশ্রমে মোবাইল ভিডিওগ্রাফার হিসেবে কাজ করেন তাহলে অবশ্যই আপনি ক্রিয়েটিভ হয়ে উঠতে পারবেন। আর ক্রিয়েটিভ হয়ে ওঠার জন্য আপনাকে ছোট ছোট স্কীল গুলো নিজের মধ্যে ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।

যেমন আপনি আজকের এই ১০টি মোবাইল ভিডিওগ্রাফি টিপস পড়ে মোবাইল ভিডিওগ্রাফির ১০টি টিপস আপনি জানতে পারলেন। এভাবে করে আপনি আরো বিভিন্ন আর্টিকেল পড়তে পারেন যেন আপনি একজন মোবাইল ভিডিওগ্রাফার হিসেবে বিভিন্ন কৌশল গুলো অনুসরণ করতে পারেন এবং মোবাইল ভিডিওগ্রাফিতে ভালো অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারেন।

Advertisement

ব্লগিং, এফিলিয়েট, রিসেলার ও ই-কমার্স ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য যোগাযোগ করুন। আমাদের এফিলিয়েট লিঙ্ক থেকে যেকোনো কোম্পানির কাছ থেকে ডোমেইন হোস্টিং ক্রয় করলে ফ্রি সাপোর্ট! বিস্তারিত জানতে WhatsApp এ মেসেজ করুন।

WhatsApp এ মেসেজ করুন

মন্তব্য করুন